সাট্টা, জুয়া, গাঁজার ঠেকে এলাকার প্রমিলাবাহিনীর হানার পরিপ্রেক্ষিতে বিধায়কের মতামত

মলয় দে নদীয়া :- গতকাল সন্ধ্যায় শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মেলের মাঠ এবং সংলগ্ন শান্তিপুর শহর তিন নম্বর ওয়ার্ডের সেনপাড়া এলাকার শতাধিক মহিলা , রীতিমতো কোমর বেঁধে পথের পাশে প্রকাশ্যে
সাট্টা, জুয়া, মদ, গাঁজার বিভিন্ন বেআইনি ১৫ টি ঠেকে পৌঁছায়।তবে কোনো জায়গায়, আইন নিজের হাতে তুলে নেননি তারা, সাট্টা খেলার কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। হাত জোড় করে অনুরোধ করেছেন, তারা বলেন অভাবের সংসারে সামান্য উপার্জনের বেশিরভাগ অংশ নেশায় বশবর্তী হয়ে পরিবার সদস্যরা খরচ করে ফেলছে সেখানে ফলে সাংসারিক কলহ লেগেই থাকছে।
তবে তারা আগামীর জন্য রীতিমতন হুমকি দিয়ে আসেন, আগামী দিনে বন্ধ না করলে, রণচন্ডীমূর্তি ধারণ করতে তারা পিছপা হবেন না। প্রয়োজনে ঝাঁটা হাতে, রুখে দাঁড়াবেন তারা।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী রাস্তার পাশে প্রকাশ্যে কখনো আমবাগানে চলছে সাট্টা, জুয়ার ঠেক৷ সেই ঠেকে গিয়ে বসছেন বাড়ির রোজগেরে কর্তারা৷ ফলে মাঠে, আম বাগানে, তাঁত কারখানায় কাজ করা শ্রমিকরা সামান্য যে টাকা মজুরী পান সেই টাকার অধিকাংশই ঐ ঠেকে দিয়ে মদ, গাঁজা খেয়ে বাড়ি ফিরছেন৷ ফলে বাড়ির বাচ্চারা লেখা পড়ার জন্য বই খাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে৷ অনেকের বাড়িতেই কোন রকমে সিদ্ধ ভাত আধপেটা খেয়ে থাকতে হচ্ছে।
যদিও এ প্রসঙ্গে তারা স্থানীয় প্রশাসন এবং বিধায়কের নাম শুনেছেন বলে সংবাদ মাধ্যমে মতামত ব্যক্ত করেছিলেন।
কিন্তু এর আগে তারা কোন লিখিত অভিযোগ শান্তিপুর থানায় বা শোনা কথার ভিত্তিতে অভিযোগের আঙ্গুল তোলা বিধায়কের কাছে জানাননি তারা। তাই বিধায়ক আজ অত্যন্ত মর্মাহত হয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, উনাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। তবে লিখিতভাবে, উনারা যদি একবার আসতেন তাহলে আমি নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতাম। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে সকলকে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছে বলেই বিদায় মনে করছেন। যদিও এ প্রসঙ্গে তিনি কোন রাজনৈতিক দলের নাম করেননি তবুও আমাদের জানিয়েছেন বিষয়টি, তিনিও খতিয়ে দেখছেন। তবে জনপ্রতিনিধি হিসেবে শান্তিপুর বিধানসভায় রেকর্ড ভোটে তারা যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন সেই অধিকারবশত তাদের সমস্যায় নিশ্চয়ই পাশে থাকতে চাই তবে না জানালে এত বড় বিধানসভায় কোথায় কি হচ্ছে তা জানা সম্ভব হয় না।