মলয় দে নদীয়া :- নদীয়ার শান্তিপুর শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজাদ পল্লী গোরস্থান লেনের বাসিন্দা গৌরব মিয়ার ছেলে একতারের সাথে, আজ থেকে দশ বছর আগে ৫২০০০ টাকা যৌতুক এবং একটি সোনার অলংকার দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবাহ দেন দিগনগর সেনপাড়ার বাসিন্দা তেতুল সরদার। তিনি মূক এবং বধির, সামান্য উপার্জন এবং লোকের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে সেই অর্থে দিয়ে তিন মেয়ের বিবাহ দিয়েছেন কোনমতে।
অন্য মেয়েরা, সুখে থাকলেও শান্তিপুরে আজাদ পল্লীতে বিয়ে দেওয়া মেয়ে কুলচন বিবি প্রায়শই বাপের বাড়ির কাছ থেকে টাকা চায় স্বামীর আদেশ অনুযায়ী। নগদ ৫২ হাজার টাকা শেষ হয়েছে অনেক আগেই সম্প্রতি সোনার অলংকার প্রথমে বন্ধক পরবর্তীতে বিক্রি করে নিঃশেষ হয় তাও। তারপর থেকেই বাড়ে টাকার চাপ।কুলচান বিবির দুই সন্তান একজনের বয়স ৫ অন্যজনের ৯।
তার অভিযোগ, শশুর শাশুড়ির ইচ্ছাতেই পুনরায় তার স্বামী একতারের বিবাহের তোড়জোড় শুরু হয়। তাকে তাড়াতে তার স্বামী, কোন অশান্তি ছাড়াই কখনো লাঠি কখনো বা জুতো দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। গতকাল রাতে, তাকে মারধরের পর , আত্মহত্যার সহযোগিতায় গলায় দেওয়ার জন্য দড়ি, এগিয়ে দেওয়া। বাড়ি থেকে বের হতে না চাইলে, শশুর শাশুড়িও মারধর শুরু করে। আজ সকালে, কুলচন বিবির বাপের বাড়ির এ বিষয়টি শ্বশুরবাড়িতে জানতে গেলে, তাদের হাতে মেয়েকে তুলে দিয়ে, সন্তানকে ঘরে আটকে মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরেই তারা থানায় আসে, ওই বাচ্চা দুটি উদ্ধারের জন্য। কুলচান বিবির মা সুবেদা বিবি জানান, একই বিবাহে দুবার যৌতুক চান কিভাবে! স্বামী কথা বলতে পারেনা, ভালো কোনো কাজে নিতে চায়না কেউ। তাই লোকের কাছে চেয়ে চিনতে, মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। যৌতুকের টাকা ফুরাতেই, আবার অর্থের দাবি। মধ্যে মেয়ের খাওয়া দাওয়া এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক পোশাক-আশাক জিনিসপত্র দিয়ে আসতাম মেয়ের মঙ্গলের কথা ভেবে। দিনের পর দিন চাহিদা বেড়ে যাচ্ছিলো, ওদের দরকার নগদ অর্থ, তাই আবার বিয়ে দেওয়ার তোরজোড় চলছে।

