সন্তানকে ফিরে পেতে স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্নায় স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
সন্তানকে ফিরে পেতে স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্নায় স্ত্রী।
দেখাশোনা করে বিয়ে ভেবেছিলেন বিয়ের পর স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে ঘর বাঁধবে কিন্তু বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই পাল্টে গেল চিত্রটা। স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ্যে শুরু হতে থাকলো মনোমালিন্য। তিন বছরের মাথায় জন্ম নেয় তাদের ফুটফুটে পুত্র সন্তান। আর সন্তানকে ফিরে পেতে স্বামীর বাড়ির সামনে এবার ধরনায় বসলেন স্ত্রী। ঘটনাটি তমলুক থানার গণপতি নগরের। ২০১৫ সালে নন্দকুমার এর বেতকলা গ্রামের বাসিন্দা লাবনী সরকারের বিয়ে হয় তমলুক থানার গণপতি নগরের হরে কৃষ্ণ সামন্তের সাথে। লাবনীর অভিযোগ তার স্বামী নেভিতে চাকরি করে এবং বিয়ের কিছু দিনের পরের থেকেই তাদের মধ্যে শুরু হয় অশান্তি। বিয়ের তিন বছরের মাথায় জন্ম নেয় তাদের পুত্র সন্তান। রাবণের অভিযোগ যে তিনি তার স্বামীর সাথে মুম্বাইতে থাকতেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে বাবার বাড়িতে দিয়ে যায় তার স্বামী হরে কৃষ্ণ সামন্ত। এবং তার আরও অভিযোগ যে তিনি জানতেও পারেননি কখন তাকে দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজে সই করিয়ে নিয়েছে মারধর করে। কারণ কাগজপত্রগুলো মারাঠি ভাষায় থাকার কারণে তিনি বুঝতে পারেননি। এর পরে রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয় কিন্তু তার কোন সূরাহা এখনো পর্যন্ত মেলেনি। তাই একমাত্র ছেলেকে ফিরে পাবার আশায় স্বামীর বাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন লাবনি। শুধু তাই নয় তার আরো দাবী যে লাবনীর ভরণপোষণের ব্যবস্থাও স্বামীকে নিতে হবে। স্থানীয়রা জানায় যে হরে কৃষ্ণ সামন্তর সাথে তাদের খুব ভালো সুসম্পর্ক নেই কাজের সূত্রে তিনি মুম্বাইতে থাকেন এবং মাঝেমধ্যে বাড়ি আসেন, আরে দিন দেখা গেল যে বাড়িতে তালা চাবি বন্ধ করা। লাবনীর দাবিতে যতক্ষণ না তার ছেলেকে তিনি ফিরে পাচ্ছেন ততক্ষণ এভাবেই ধর্নায় বসে থাকবেন। প্রায়সই খবরের শিরোনামে উঠে আসে স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের মত ঘটনা। সেই ঘটনারই আবারও পুনরাবৃত্তি হলো। এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে বীর জমে যায় স্থানীয় মানুষদের। এমন ঘটনা বারংবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যায় কোন দিকে এগিয়ে চলেছে সমাজ ব্যবস্থা।