গৃহবধূকে নির্যাতন করে মেরে ফেলার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
গৃহবধূকে নির্যাতন করে মেরে ফেলার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে।
প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন থাকে বিয়ের পরে স্বামী শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে সুখের সংসার করবে। কিন্তু বারংবার খবরের শিরোনামে উঠে আসে সমাজের বধূ নির্যাতনের মত ঘটনা। গলায় ফাঁসি লাগিয়ে বাড়ির বউকে মেরে ফেলা অথবা পুড়িয়ে মারার অভিযোগ আসে শ্বশুরবাড়ি লোকজনের বিরুদ্ধে এমন ঘটনা নিত্যদিনের। আর এবার আবারও একবার সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হল উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলায়। ঘোলা বিদ্যাসাগর পল্লী নন্দিতা ঘরামির সাথে বিয়ে হয় বেলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিশ্বনাথ হালদারের সাথে। বছর ছয় কাজে হালদার পরিবারে গৃহবধূ হয়ে আসে নন্দিতা আর তারপর থেকেই নাকি তার উপরে অত্যাচার চালানো হয় এমনটাই অভিযোগ নন্দিতার পরিবারের। এদিন নন্দিতার স্বামী বিশ্বনাথ নন্দিতার বাপের বাড়িতে ফোন করে বলে যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে নন্দিতা। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি তারা ছুটে আসে এবং ততক্ষণে তাকে পানিহাটি রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এসে তারা শুনতে পায় যে মারা গেছে তাদের মেয়ে। আর এর পরেই ক্ষোভে ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশীরা বিশ্বনাথের উপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে এরপর পৌঁছায় পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের আরো অভিযোগ যে বিয়ের পর থেকেই তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন কোনদিন শান্তিতে ঘর সংসার করতে দেয়নি। নন্দীতার স্বামী শর্ট টেম্পার হওয়ার কারণে মাঝেমধ্যেই রেগে গিয়ে নন্দিতার উপর মারধর করতো এমনকি হাতে পায়ে কালশিটে দাগও পরে যায়। এর আগেও বহুবার এই বিষয় নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন্দিতার পরিবার কিন্তু কোন সূরাহা মেলেনি। পরিবারের লোকজনের আরো অভিযোগ যে নন্দিতা কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই সে মারা গেছে। এমন ঘটনা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যায় সমাজের অবক্ষয়। যেখানে আজও গৃহবধূকে অত্যাচারিত হতে হয়।