নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় খবরের শিরোনামে এবার নদীয়ার শান্তিপুর হাসপাতাল। গর্ভবতী মায়ের পেটে শিশু মারা যাওয়ায় কার্যত উত্তাল হয়ে উঠলো শান্তিপুরের হাসপাতাল চত্বর। সাত সকালে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল হাসপাতাল চত্বর। প্রসুতির পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, প্রসূতি মায়ের পেটে শিশু মৃত্যুর হওয়ার দীর্ঘক্ষণ পরেও প্রসূতির পেট থেকে বের করা হয়নি মৃত শিশুকে। বুধবার সকাল সাতটা নাগাদ, শান্তিপুর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুত্রাগড় কাজীপাড়ার বাসিন্দা জুব্বার শেখ তার গর্ভবতী স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অভিযোগ বাচ্চা মারা যায় গতকাল রাতে অথচ তাদের আলট্রাসনোগ্রাফি করে আজ সকালে সেই খবর দেওয়া হয়। আরো অভিযোগ যে শিশু মৃত্যু হওয়ার ১২ ঘন্টা কেটে গেলেও গর্ভবতী মায়ের পেট থেকে শিশুকে বের করার কোনরকম উদ্যোগ দেখায়নি শান্তিপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে সকাল থেকেই অনুপস্থিত হাসপাতালে গাইনো ডাক্তার। সুপার কে সেই কথা জানাতে গেলে তিনি খেতে গিয়েছেন বলা হয় হাসপাতালের তরফে আর তারপরে কেটে যায় আরো ৪ ঘন্টা। প্রসুতির পরিবারের আরো অভিযোগ যে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকেই প্রস্তুতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে কিন্তু এর পরেও হাসপাতালে তরফে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করার কথা পরিবারকে জানানো হয়নি। যার ফলে মায়ের পেটেই মৃত্যু শিশুর। ঘটনায় কার্যত উত্তেজনাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল হাসপাতাল চত্বরে যার ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটাই ব্যাহত হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর। অবশ্য এই অভিযোগ কে অস্বীকার করেছে শান্তিপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির অবনতি দেখে এরপর খবর দেওয়া হয় শান্তিপুর থানায় এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপেই এরপর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিপুরে। প্রশ্ন উঠেছে শান্তিপুর হাসপাতালের ভূমিকা নিয়েও।

