নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ:
ঢাক ঢোল বাজনা সহযোগে ১০৫ বছরের বৃদ্ধার শ্মশান যাত্রায় শামিল গ্রামবাসীরা
১০৫ বছর বয়সে শেষমেষ থমকে গেল হৃদস্পন্দন। রেখে গেলেন ৭ মেয়ে চার ছেলে এবং 35 জন নাতি-নাতনিকে। শেষ যাত্রায় ঢাকঢোল বাজনা সহযোগে নাচতে নাচতে হল দেহ সৎকার। নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জামড়াডাঙ্গা কলনচাঁপুরের বাসিন্দা, দুর্গা বালা প্রামানিক। তার স্বামী মারা গিয়েছিল ৮০ বছর বয়সে। তার দুই ছেলে সুকুমার প্রামাণিক এবং অধীর প্রামাণিক জানান যে ১০৫ বছর বয়সে এসে ও মা হেঁটে চলে বেড়াতেন কিন্তু বিগত এক মাস ধরে ভুগছিলেন হৃদরোগ জনিত সমস্যায়। অবশেষে ১০৫ বছরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। তার নাতি নাতনিরা চেয়েছিলেন যে তার দিদার অন্তিম সংস্কার ঢাকঢোল সহযোগী হবে। সেই মতো সবকিছুর বন্দোবস্ত করা হয় এবং প্রায় ১০০ জন সতকারী যাত্রী সহযোগে বাজনার তালে দীর্ঘ আট কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে শ্মশান তার দেহ নিয়ে পৌঁছালে সৎকারী দল। শান্তিপুর মহাশ্মশানে হল তার দেহ সৎকার। আমার আপনার মত সাধারন মানুষের মনে হতেই পারে যে ১০৫ বছর বয়সেও বেঁচে থাকা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। কিন্তু দুর্গা বালা দেবীর শুধু বেচেই ছিলেন না একেবারে সুস্থ অবস্থায় হেটে চলেও বেড়াতেন।

