করোনা পরিস্থিতির স্বাভাবিক হলেও , মা ক্যান্টিনে আহার বিতরণের পূণ্য হাত ছাড়া করতে চায় না শান্তিপুর পৌরসভা,
মলয় দে নদীয়া:- আনুমানিক প্রায় দেড় বছর আগে, করোনা পরিস্থিতিতে ভয়ানক চেহারা নিয়েছিল নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং প্রান্তিক পরিবার গুলিতে। একদিকে যেমন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অন্যদিকে সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ বাঁচিয়ে রেখেছিল তাঁদের। সে সময় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করে, মা ক্যান্টিনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল পুরসভার বাইরেই। পরবর্তীতে সুব্রত ঘোষ পুরো প্রশাসক হিসাবে নিযুক্ত হলে, পৌরসভার রাস্তার ধারের একটি ঘরে এই কেন্দ্র স্থাপিত হয়।বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠলেও, পুরসভা এই মহৎ উদ্যোগ থেকে কোনভাবেই নিজেদের বিরত রাখতে চান না। পুরো প্রধান সুব্রত ঘোষ বলেন, অনেক মানুষ আছেন যারা শারীরিক সমস্যার জন্য কাজকর্ম করতে পারেনা, অনেকে আছেন পরিবারের অনেকেই হয়তো বৃদ্ধ মা বাবার খেয়াল রাখেন না তাদের কথা ভেবেই এ পুণ্য কাজ চালিয়ে যাব। প্রায় শতাধিক মানুষ প্রতিদিন এই আহার সংগ্রহ করে থাকেন।
মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা রাজলক্ষ্মী হালদার বলেন, এত মানুষকে প্রতিদিন আহার নিজে হাতে দিতে গর্ব বোধ হয়। গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যারা রান্না এবং খাবার দেওয়া পালা করে করি নিজেরাই। ডাল ভাত একটি তরকারি এবং ডিম প্রতিদিন থাকে মেনুতে। তবে তরকারির রদবদল হয় মাঝেমধ্যেই। প্রত্যেকেরই আত্মসম্মানবোধ আছে, সেক্ষেত্রে তারা মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে খাবার কিনে নিচ্ছেন এই কারণেই 5 টাকার কুপনের ব্যবস্থা। তবে পুরো প্রধানের নির্দেশে যদি কেউ ন্যূনতম সেটুকু অর্থ জোগাড় করতে না পারেন তাদেরকেও খাওয়ারদিয়ে দেওয়া হয় বিনামূল্যেই।
অন্যদিকে বহুদিন যাবত নিয়মিত মধ্যাহ্নভোজ পেয়ে খুশি প্রান্তিক মানুষজন। তারা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে পৌরসভার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন।

