স্কুল ইউনিফর্ম তৈরীর কাজ প্রায় শেষের দিকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যরা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন , গুণগত মানে খুশি শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক অভিভাবিকাগণ

স্কুল ইউনিফর্ম তৈরীর কাজ প্রায় শেষের দিকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যরা, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন , গুণগত মানে খুশি শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক অভিভাবিকাগণ

মলয় দে নদীয়া:- মুখোমুখি স্বপ্নের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে স্কুল ইউনিফর্ম তৈরীর কাপড় উৎপাদনের পর তা দিয়ে উৎকর্ষ বাংলা ট্রেনিং নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়তো চলেছে বহু স্বনির্ভর মহিলা গোষ্ঠীর সদস্যারা। নীল সাদা কাপড় কেটে
সেলাই বোতাম বসানো ভাঁজ ইস্ত্রি সম্পূর্ণ হওয়ার পর এবার তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অর্ডার অনুযায়ী পৌঁছে দিচ্ছেন খুঁদে পড়ুয়াদের ইউনিফর্ম। এই বরাত তারা পেয়েছেন, বিভিন্ন অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের করণ থেকে। উৎপাদিত কাপড় তারা ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন, তবে মজুরিও এখান থেকেই পাবেন প্রতিটা ছাত্রছাত্রীর দুসেট ইউনিফর্ম পৌঁছে দেওয়ার পর। যার প্রথম সেট হিসেবে এখন বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যরা।
বেলঘড়িয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ বহুমুখী সংঘের সদস্যদের সাথে আমাদের দেখা হলো ফুলিয়া বয়রা শম্ভুনাথ বসাক স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সভানেত্রী সাধনা বসাক জানান, ওই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দুটি এস এস কে একটি উচ্চ বিদ্যালয় এবং নটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭৬৫ টি ছাত্রছাত্রীর জন্য সাড়ে তিন হাজার স্কুল ইউনিফর্ম তৈরির বরাত পেয়েছেন তারা। যার অর্ধেক হিসেবে এখন পৌঁছেছেন বাকিটা পৌঁছানোর পর মিলবে মজুরি। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব দালাল জানান, কাপড়ের গুণগত মান অনেকটাই উন্নত হয়েছে আগের তুলনায়, ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরাও খুশি গুণগত মান দেখে। সেলাই ফিনিশিংও, যথেষ্ট ভালো। সবচেয়ে বড় বিষয় স্থানীয় স্তরে গোষ্ঠীর সদস্যারা বারে বারে এসে, ছোট বড় সাইজ অনুযায়ী ইউনিফর্ম পরিয়ে দেখে দিচ্ছেন প্রতিটা স্কুল পড়ুয়াকে, এটাই বাড়তি পাওনা।