একুশে জুলাই শহীদ স্মরণে কলকাতা যাওয়ার প্রচারক হিসাবে পথসভা পশ্চিমবঙ্গ তৃনমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নদীয়া জেলা কমিটির
মলয় দে নদীয়া:- গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার সেদিনের লড়াই কে শ্রদ্ধা জানাতে ছাত্র যুব মহিলা শ্রমিক, কৃষক লেখক সাহিত্যিক সকলে যেমন প্রস্তুত তেমনি শিক্ষকরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের সংগঠনগতভাবে।গত
দু’বছর করো না পরিস্থিতির কারণে, গৃহবন্ধী অবস্থায় ভার্চুয়াল ভাবেই সারতেতে হয়েছিলো এই শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন। তবে এবছর তাই বাড়তি উন্মাদনা নিয়ে
আগামী একুশে জুলাই শহীদ তর্পণে কলকাতা চলেছেন তাদের বিপুল পরিমাণে সদস্যদের নিয়ে। এ বিষয়ে সংগঠন সূত্রে জানা যায় প্রতিটি ব্লক এবং শহর থেকে বাসে করে চিরাচরিতভাবে যেতে চলেছেন তারা।
যাওয়ার, প্রস্তুতি হিসাবে আজ নদীয়ার শান্তিপুর শহর এবং ব্লকের সংযোগস্থল জয়নিতাই মোড়ে এক পথসভার আয়োজন করে
পশ্চিমবঙ্গ তৃনমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নদীয়া জেলা কমিটি।
সংগঠনের রাজ্য সহ সভাপতি অনুপ ভদ্র, সাব ডিভিশনাল সভাপতি চিন্ময় বিশ্বাস, জেলা কমিটির সদস্য জিব্রাইল পাইল, ব্লক সভাপতি সঞ্জীব পোদ্দার, সম্পাদক শুককদেব কুন্ডু সহ এবং শান্তিপুর ব্লক এবং শহরের সকল বিদ্যালয় থেকে সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের রাজ্য সহ সভাপতি অনুপ ভদ্র বলেন, সেদিনের মতন আজও গণতন্ত্র বিপন্ন সারাদেশব্যাপী, অনিয়ম, ব্যভিচার, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পে রাজনৈতিক কারণে রাজ্যকে ব্রাত্য রাখা, সাধারণ মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন, পেট্রোল ডিজেল রান্নার গ্যাস সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাড়িয়ে চলেছে ক্রমশ, এ সময় শিক্ষকদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একমাত্র দেশের মধ্যে প্রতিবাদী মুখ, তাই আমরা শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে তার আন্দোলনকে শক্তিশালী করে তুলবো মানুষের কাছে কথা ভেবে।
সঞ্জীব পোদ্দার বলেন, দেশে বেকারত্ব দারিদ্রতা বাড়ছে হুহু করে, এ রাজ্যে মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনস্থ হয়ে কিছুটা বিপদ থেকে রেহাই পেয়েছেন একমাত্র মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর কারণে।
চিনময় বিশ্বাস বলেন, একমাত্র যোগ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ভরসা করছে সারা দেশের মানুষ।শুকদেব কুন্ডু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কথা একটিও রাখেননি তিনি, তাই মানুষ প্রতি আস্থা রেখেছেন প্রতিটা ভোটে।
জিব্রাইল পাইল বলেন, অতীতে সিপিআইএমের অত্যাচার, বর্তমানে সাম্প্রদায়িক হানাহানির পেছনে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা একই রকম, তাই এ বিষয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের এগিয়ে আসতে হবে।

