শিক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগের বিজেপির বিক্ষোভ, পথসভা

শিক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগের বিজেপির বিক্ষোভ, পথসভা

মলয় দে নদীয়া:- শিক্ষায় দুর্নীতির প্রশ্ন তুলে আজ নদীয়ার শান্তিপুরে একই দিনে বেশ কয়েকটি পথসভা বিজেপির পক্ষ থেকে। সেখানে উঠে আসলো সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোল এবং ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসে শুল্ক প্রত্যাহার করল বেশ কিছুটা কিন্তু। প্রথম থেকে আন্দোলনরত এ রাজ্য সরকার তাদের নিজেদের শুল্ক এতোটুকু হ্রাস করেনি।
বিভিন্ন বক্তা তাদের বক্তব্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রী আধিকারিক এবং বিভিন্ন তৃণমূলের নেতৃত্তের গ্রেপ্তারের দাবি করেন। তারা বলেন মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার ডুবিয়ে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করেছে তৃণমূল।
আদালত জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রশ্ন নেই। তাঁকে গ্রেফতার করা প্রয়োজন কি না তা ঠিক করবে সিবিআই। সেইসঙ্গে এসএসসি সংক্রান্ত সমস্ত মামলায় তাঁকে পার্টি করার নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। তাঁর সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসাব আদালতে পেশ করা হোক। তাঁর সারমেয়র জন্য নাকতলায় যে ফ্ল্যাট আছে সেই হিসাবও পেশ করা হোক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং রাহুল গান্ধীর টাকার উৎস কী? গান্ধী পরিবারের টাকার উৎস কী? তাঁরা কোথা থেকে টাকা পান? পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক।” এসএসসি উপদেষ্টা কমিটি নিয়েও পার্থ চট্টোপাধ্যায় কেন কিছু জানতেন না, সে বিষয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন বিচার।
অন্যদিকে অঙ্কিতার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিল আদালত, ফেরাতে হবে মাইনে পাওয়া টাকা‌।
আর কয়দিন চলবে মানুষ ঠকিয়ে? এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিল হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি নিয়ে এবার হুঁস ফিরলো কলকাতা হাইকোর্টের।
রাজ্য রাজনীতি নিয়ে চলছে শোরগোল, চর ধরো জেলেল ভরো একই স্লোগান নিয়ে একদিকে বামপন্থীরা যেমন পথে নেমেছে তেমনি বিজেপির পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। যদিও একাংশের প্রশ্ন নদীয়ায় স্থাপিত এইমমসে চাকরিরতা বিধায়ক কন্যা, এবং অপর এক বিধায়ক এবং সংসদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে আসছে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মুখ থেকেই।