বছর শুরুর প্রথম সকালে ব্যবসায়ীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকারে তেতোকথার পরেই মিষ্টিমুখ, শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে নরমে গরমে প্লাস্টিক এবং থার্মোকল বর্জনের বার্তা

বছর শুরুর প্রথম সকালে ব্যবসায়ীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকারে তেতোকথার পরেই মিষ্টিমুখ, শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে নরমে গরমে প্লাস্টিক এবং থার্মোকল বর্জনের বার্তা

মলয় দে নদীয়া:- বছরের শুরুতেই শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে ব্যবসায়ী ক্রেতা এবং পথচলতি মানুষের সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারে শান্তিপুর বড় বাজার এলাকায় পৌঁছেছিলেন চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ-ভাইস চেয়ারম্যান কৌশিক প্রামানিক বোর্ড অফ কাউন্সিল এর সদস্য শুভজিৎ দে সহ 15 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ভট্টাচার্য, 5 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রভাত বিশ্বাস, 23 নম্বর ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে প্রাক্তন কাউন্সিলর শাহজাহান শেখ, শান্তিপুর পৌরসভার প্রধান করণিক উদয়ন মুখার্জি এবং বেশকিছু কাউন্সিলর ও পৌর কর্মচারীবৃন্দ।
শুরুটা তেতো কথা দিয়ে শুরু হলেও শেষ হয় মিষ্টি মুখ দিয়ে, ব্যবসায়ীক মুনাফা কথা ভেবে রাস্তার উপর বিক্রয় সামগ্রী রাখা, ক্রেতার মন জোগাতে নিয়মিত প্লাস্টিক ব্যবহার করা বিষয় আগামীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানোর পরেই নতুন বছরের শুভেচ্ছা আলিঙ্গন এবং মিষ্টিমুখ উপহার হিসেবে একটি দূষণমুক্ত ব্যাগ। গোটা বড়বাজার অঞ্চলে পরিচয় পর্বের প্রধান ছিলেন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রসেনজিৎ সেন। উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ব্যবসায়ীরাও জানালেন তাদের নিজস্ব মতামত। তাদের মধ্যে অনেকেই বলেন প্রতিনিয়ত ক্রেতাসাধারণের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটছে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ না দেওয়ার কারণে, পৌরসভা কর্তৃক একটি নির্দেশ লিখিত আকারে পেলে তার দোকানে টাঙ্গিয়ে রাখলে অনেকটাই সমস্যার সমাধান হবে। কিছু ব্যবসায়ীরা জানান জনসাধারণের সচেতনতার সাথে পৌরসভার কেউ কঠোর হতে হবে 75 মাইক্রোনের নিচে প্লাস্টিক উৎপাদন- পাইকারি বিক্রির ওপর। চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানান, সমগ্র শান্তিপুরের সুস্থতার কথা মাথায় রেখে, এবং পরিবেশের কথা ভেবে এই কড়া পদক্ষেপ। তবে বছরের প্রথম দিন আরো একবার অনুরোধ করলাম সমগ্র শান্তিপুরবাসিকে, তাদের উপরেও আমাদের পৌরসভার অগাধ বিশ্বাস প্লাস্টিক ব্যবহার থেকে নিজেদের বিরত রেখে পৌরসভাকে সহযোগিতা করবে।