তেলিয়ামুড়া থানার নাকের ডগা দিয়ে পেরিয়ে, মুঙ্গিয়াকামীর পুলিশ দ্ধারা আটক বিপুল পরিমাণ মাদক

তেলিয়ামুড়া থানার নাকের ডগা দিয়ে পেরিয়ে, মুঙ্গিয়াকামীর পুলিশ দ্ধারা আটক বিপুল পরিমাণ মাদক

*ত্রিপুরা প্রতিনিধি *–
রাজ্য সরকারের নেশা বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গাজা বিরোধী অভিযানে বিরাট সাফল্য ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামী থানা পুলিশের। সোমবার মুঙ্গিয়াকামী থানা এলাকার আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে ভিকেলস চেকিং -এ বসে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার মুঙ্গিয়াকামী থানা এলাকার আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের ৩৯ মাইল এলাকায় ভিকেলস চেকিং -এ বসে MH 48 BM 1894 নাম্বারের একটি ছয় চাকার এসএমএল লরিতে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে মোট ৩৬ টি প্যাকেটের মধ্যে ৩৪৩ কেজি শুকনো গাজা উদ্ধার করে মুঙ্গিয়াকামি থানার ওসি গৌতম দেববর্মার নেতৃত্বে পুলিশ এবং টিএসআর বাহিনী এবং গাড়িতে থাকা গাড়ির চালক বহিরাজ্য বিহারের যুবক মোহাম্মদ উডসে রাজা নামের এক যুবককে আটক করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে ছুটে যান তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া সহ বিশাল পুলিশবাহিনী। তবে গাঁজাগুলি আগরতলার দিক থেকে বহির রাজ্যের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল বলে পুলিশ জানায়। আটককৃত গাজার বাজার মূল্য আনুমানিক ২০ লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে জানা যায়। তবে রাজ্যে এত পরিমান গাঁজার উৎস কোথা থেকে হচ্ছে তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া থানার ট্রাফিক দপ্তরের কর্তা বাবুরা প্রায় প্রতি রোজ‌ই তেলিয়ামুড়া থানাধীন আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ফাইন আদায়ের জন্য দল বেঁধে বসে থাকে। কিন্তু দলবেঁধে বসে থাকা তেলিয়ামুড়া থানার ট্রাফিক বাবুদের ও তেলিয়ামুড়া থানার নাকের ডগা দিয়ে কিভাবে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক ধরে প্রতিনিয়ত দিব্যি পেরিয়ে যাচ্ছে এই গাঁজা বোঝাই লরি গুলি এবং পরবর্তীতে এই গাঁজা বোঝাই লরি গুলি মুঙ্গিয়াকামী থানার পুলিশের হাতে প্রতিনিয়ত আটক হচ্ছে। তেলিয়ামুড়া থানা পুলিশের দীর্ঘদিনের এহেনো ভূমিকায় ইতিমধ্যে নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে সমাজের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলজুড়ে।।