নদীয়ার শান্তিপুরে বিপদজনক রেল পারাপার, একমাত্র ফুটব্রিজ মেরামতির ওয়ার্ক অর্ডার এসে পড়ে থাকলেও হেলদোল নেই রেলের ইঞ্জিনিয়ার সেকশনের

নদীয়ার শান্তিপুরে বিপদজনক রেল পারাপার, একমাত্র ফুটব্রিজ মেরামতির ওয়ার্ক অর্ডার এসে পড়ে থাকলেও হেলদোল নেই রেলের ইঞ্জিনিয়ার সেকশনের

মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার শান্তিপুর রেল স্টেশনের একমাত্র ফুটওভার ব্রিজের অবস্থা খুব বেহাল।এক নম্বর প্লাটফর্ম থেকে যাত্রীরা ট্রেন ধরতে দুই নম্বর ও তিন নম্বর প্লাটফর্মে যেতে সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু ফুটওভার ব্রিজের অবস্থা খারাপ থাকায় যে কোন মুহূর্তে বিপদের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। সেই কারণেই জরুরী ভিত্তিতে পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের লোকজনকে গত ২০ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কাজ করে ফুট ওভারব্রিজের স্ল্যাব চেঞ্জ করার ওয়ার্ক অর্ডার জারি হয়। বিপদজনক ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে যাত্রীরা যাতে চলাচল করতে না পারেন, সেই কারণে বাঁশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজটি। অথচ যাত্রীদের উদ্দেশ্যে লিখিত কোন বিজ্ঞপ্তি নেই বন্ধ ফুট ব্রিজের ব্রিজের সামনে। যদিও স্টেশন মাস্টার নিয়মিত ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানান। ২৪ তারিখের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও গত তিনদিন ধরে ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের কোন লোকজন আসছেন না কাজ করতে। এর ফলে সমস্যায় পড়েছেন যাত্রীরা। ফুটওভার ব্রিজ বন্ধ থাকায় তারা এক নম্বর প্লাটফর্ম থেকে দু নম্বর ও তিন নম্বর প্লাটফর্মে যেতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। রেললাইন পারাপার করে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে তাদের চলাচল করতে হচ্ছে। মূলত এই কারণে যাত্রীদের ক্ষোভ গিয়ে পড়ছে শান্তিপুর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষের ওপরে। কেন ফুটওভার ব্রিজ বন্ধ রেখে কাজ করা হচ্ছে না, যাত্রীরা গিয়ে শান্তিপুর রেল স্টেশনের ম্যানেজারের কাছে কৈফিয়ৎ চাইছেন।তাদের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। অথচ স্টেশন ম্যানেজার কোন নির্দিষ্ট জবাব দিতে পারছেন না। রেল যাত্রী সমিতির পক্ষ থেকেও শান্তিপুর টেশন ম্যানেজারের কাছে কাজ বন্ধ রাখার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। যদিও শান্তিপুর স্টেশন ম্যানেজার এ বিষয়ে কোন সঠিক জবাব দিতে পারেননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন,’ বিষয়টি স্টেশনমাস্টারের নয়, ইঞ্জিনিয়ার সেকশনের। তবুও সারাদিন যাত্রীদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার থেকে অব্যাহতি পেতে যাতে কাজ শীঘ্রই চালু করা যায়, তার জন্য আমরা আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’