রতুয়া ১ ব্লকের কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভেস্তে গেল। অনাস্থার তলবি সভায় অনুপস্থিত সমস্ত সদস্য। প্রশাসনিক কর্তারা উপস্থিত হলেও পঞ্চায়েতের সদস্যদের উপস্থিত না হওয়ার কারণে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয় প্রশাসনের তরফে।
খালা গ্রাম পঞ্চায়েত 14 আসন বিশিষ্ট। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন প্রধান বেবীরানী মন্ডল।তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে সদস্যরা। মঙ্গলবার অনাস্থার তলবি সভার দিন ধার্য করে প্রশাসন যা ঘিরে প্রশাসনের তরফে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয় পঞ্চায়েত চত্বরে জুড়। সময়মতো প্রশাসনিক কর্তারা ও হাজির হয়ে যায় পঞ্চায়েত প্রাঙ্গণ। কিন্তু অনাস্থার পক্ষে থাকা সদস্য থেকে শুরু করে সকলেই অনুপস্থিত থাকে।দীর্ঘক্ষন প্রশাসনিক কর্তারা অপেক্ষা করলেও মোট 14 জন সদস্যের মধ্যে কারোর দেখা পাওয়া যায় না পঞ্চায়েত চত্বরে। তবে বিজেপিতে যোগদানকারী প্রধানের বিরুদ্ধে যে অবস্থা তা কার্য হয়।
এ প্রসঙ্গে প্রধান বেবীরানী মন্ডল জানান,পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের দখলে যায় 10 টি আসন।বাকি চারটি পাই বিজেপি।তৃণমূলের দখলে যায় পঞ্চায়েত। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতা শেখ ইয়াসিনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন প্রধানসহ 6 জন সদস্য। ফলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বর্তমানে 11 জন। তাই পঞ্চায়েত প্রধানের সমর্থনে বিজেপির 11 জন সদস্য থাকায় অনাস্থা প্রস্তাব সফল হয়নি। তাই তিনি পুনরায় প্রধান থাকলেন

